সত্তর ও আশির দশকে বাংলাদেশের গ্রামগঞ্জের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে শহুরে মধ্যবিত্ত বা উচ্চবিত্তরাও কবরীকে নিজেদের মানুষ হিসেবে আপন করে নিয়েছিলেন। আর সেজন্যেই ‘মিষ্টি মেয়ে’ নামে দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় ছিলেন তিনি। কৈশোর আর যৌবনের পাট চুকিয়ে ফেলার পরও ‘মিষ্টি মেয়ে’ হিসেবে কবরীর সেই গ্রহণযোগ্যতা সবসময়ই ছিল। ২০১১ সালে বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন: ‘‘এখনও দেখা হলে কেউবিস্তারিত…